This is default featured post 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured post 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured post 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured post 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured post 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Wednesday, May 11, 2011

ডিভি- বিজয়ী হলে আপনার করনীয় .. .. .. ..

এখান থেকে আগে দেখে নিন আপনি ডিভি- ২০১২ বিজয়ী কী- না।

এ বছর অর্থাৎ ডিভি- ২০১২ -এর জন্য আবেদন করে যারা বিজয়ী হয়েছেন, তাদের উদ্দেশ্যে বলছি- যারা পেয়েছেন তো পেয়েছেন, আর যারা পাননি- ইনশাআল্লাহ্ আগামীতে পেয়ে যাবেন আশা করছি।

যারা বিজয়ী হয়েছেন, তাদেরকে রেজাল্ট দেখার পর, কেইস নম্বর পাওয়ার পরপরই অতি দ্রুত কিছু কার্য সমাধান করতে হবে। যত তাড়াতাড়ী সম্ভব আপনার কাজ শেষ করতে পারবেন ততই মঙ্গল, ততই ঝামেলাহীন, চিন্তামুক্ত থাকতে পারবেন। ২০০৭ সনে আমি ডিভি বিজয়ী হিসেবে এবং গত ২/৩ বছরে ডিভি বিজয়ীদের সাথে কাজ করতে গিয়ে নিজের এবং আমার সাথে পাওয়া কিছু ঘনিষ্ট ব্যক্তির কিছু বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে তা ধারাবাহিকভাবে বিস্তারিত বলার চেষ্টা করবো।

এ বছর যারা বিজয়ী হিসেবে ঠোঁটের কোনে হাসি লুকিয়ে রাখতে পারছেন না, মনে রাখবেন এবার কিন্তু তারা কোন চিঠি পাবেন না, তারা কিন্তু আগের মতো তেমন বিস্তারিতা কোন তথ্য কোথাও পাবেন না, যেমন- বিজয়ী হওয়ার পর কোথায় কী করতে হবে, কোথায় থেকেইবা কাজ শুরু করবেন, কিংবা কার কাছে যাবেন, কাউরো সাথে কোন চুক্তি-টুক্তি করতে হবে কি-না ইত্যাদি ইত্যাদি ? ঠিক যেমন- হাল-পাল ছাড়া নৌকা নিয়ে অথৈ সাগরে পড়েছেন। যেখানে বিজয়ী হিসেবে আপনার সম্বল শুধুমাত্র একটা নম্বর- কেইস নম্বর।
কিন্তু পূর্বে এসবের বিস্তারিত করণীয় বর্ণনা সহ বাংলা ও ইংরেজীতে লেখা ব্রুশিয়র পেতেন। যাতে আপনি কোথায় থেকে ছবি উঠাবেন, কোন ডাক্তার -এর নিকট থেকে "মেডিকেল রিপোর্ট" নিবেন ইত্যাদির যাবতীয় ঠিকানাও উল্লেখ থাকতো। এখনোও ঐ ঠিকানাগুলোই প্রযোজ্য কিন্তু আপনি জানেন না সেগুলো কোথায় এবং কখন এদের কাছে যেতে হবে। সে বিষয়েই ধারাবাহিকভাবে বলার আশা রাখছি এখানে। যাতে আপনাকে কাউরো দ্বারস্থ হতে না হয়।

তো এবার আপনার প্রাথমিক করণীয় সম্পর্কে বলছি-
যারা সিঙ্গেল পারসন হিসেবে আবেদন করেছেন প্রথমে তাদের উদ্দেশে বলছি-
আপনার বিজয়ী ঘোষণা হবার পরপরই কোন না কোন মাধ্যমে জেনে আপনার ঠিকানায় কিছু লোক এসে ভীড় করবে, যারা এই সমস্ত ফরম পূরণের অফিস খুলে বসেছে কিংবা ঐ শ্রেণীর লোকদের দালাল। সুতরাং আপনার উচিত কাউকে আপনার বিজয়ী হওয়ার বিষয়টি না জানানো। বিশেষ করে আপনার পাওয়া কেইস নম্বরটি। এমনকী আমাকেও না। এরা আপনাকে নানা প্রলোভন ও বিষয়টা খুবই কঠিন বুঝিয়ে আপনাকে প্রতারণার ফাঁদে আটকানোর চেষ্টা করবে। কিন্তু সাবধান ! আপনি কোন প্রকারেই এদের কোন কথায় কান দিবেন না- প্রভাবিত হবেন না। ওরা আপনাকে বিনে পয়সায় সকল কাজ করে দেওয়ারও প্রতিশ্রুতি দিবে। পরে এমন একটা সময় আসবে যখন আপনি স্বপ্নের আমেরিকা যাওয়ার জন্যই হোক আর যেকোন কারনেই হোক মোটা অংকের একটা টাকা তাদের হাতে তুলে দিতে বাধ্য থাকবেন। (ব্যপারটা কীভাবে, কখন কতপ্রকারে ঘটতে পারে তা পরে বলছি)

যা-ই হোক আপনি আপনার সিদ্ধানে অটল যে, আপনি নিজে নিজেই (যদিও তাদের বা যে কাউরো মাধ্যমে করালেও সমস্ত কাজগুলোই আপনাকেই করতে হবে, তারা শুধু আপনাকে বলে দেবে কোথায় যেতে হবে, কী করতে হবে আর এখানে আমি সেটিই বলে দিচ্ছি কোথায়, কীভাবে, কখন কী করতে হবে ) আপনার সমস্ত কাজগুলো সারবেন এবং প্রায় এক থেকে দেড়লক্ষ টাকা প্রাথমিক অবস্থাতেই সেভ করতে পারবেন কোন প্রকার ঝামেলা ছাড়াই।

বিজয়ী হওয়ার পরপরই, আপনার বিজয়ী ঘোষণার পেইজে দে'য়া ওদের লিঙ্কে গিয়ে তিনটি ফরম প্রিন্ট করে নিন। যার পেইজ সংখ্যা মোট ৬ টি। এছাড়া আপনি পাবেন আরোও একটি পেইজ যাতে আপনার কেইস নম্বর ও বারকোড উল্লেখ থাকবে (অপশনাল)।

অর্থাৎ আপনি মোট চারটি ফরম পাবেন। যেগুলো আপনাকে পূরণ করে কিংবা কোনটা পূরণ না করেই আমেরিকান এ্যাম্বাসী কর্তৃক প্রদত্ত নির্দিষ্ট ঠিকানায় অবশ্যই পৌঁছানোর ব্যবস্থা করতে হবে আপনাকে। কিন্তু এই ফরমগুলো এখন আর আপনাকে চিঠি দিয়ে পাঠাবেনা। এগুলো আপনার নিজ উদ্দোগেই সংগ্রহ করতে হবে আমেরিকান এ্যাম্বাসী কিংবা নেটে ওদের দে'য়া লিঙ্ক থেকে। আপনার বিজয়ী ঘোষণার পেইজে অবশ্য নেটের ঐ ঠিকানাটা দেওয়া আছে।

মনে রাখবেন ওদের কোন প্রকার তথ্যই আপনি আপনার মেইলে কিংবা ফোনে পাবেন না আপাততঃ। যদি কেউ এ ধরণের কথা বলে তা আপনার জন্য ১০০% ভাগ ভূয়া। এটা হবে আপনাকে প্রতারণার জালে ভেজাবার কৌশল।

এবার প্রিন্ট করা পেইজ গুলোর কথা বলছি-
১. কেস নাম্বার এর শীট
যেটার মধ্যে শুধুমাত্র আপনার ডাক ঠিকানা ও একটি বারকোড সহ একটি নাম্বার লেখা থাকবে। যে নম্বর ও বারকোডের ভিত্তিতে তারা নিশ্চিত হতে পারবে যে, আপনিই এই চিঠির মালিক বা ডিভি বিজয়ী এবং এই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে আপনিই ডিভি-২০১২ বিজয়ীদের একজন।

২. সাপ্লিমেন্টাল রেজিস্ট্রেশন ফরম
যে ফরমটাতে আপনার শুধুমাত্র কয়েকটি তথ্য সন্নিবেশ করতে হবে। যেমন-
ক) আপনার নাম
খ) কেস নম্বর
গ) স্থানীয় আমেরিকান এ্যাম্বাসীর ঠিকানা
ঘ) আপনার দেশ (যেখান থেকে আপনি আমেরিকা যেতে চান)
ঙ) শিক্ষাগত যোগ্যতা (এখানে শুধূ নির্দিষ্ট যোগ্যতার ঘরে টিক চিহ্ন দিতে হবে)
চ) স্কুল/কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম, শিক্ষা গ্রহণের সময় এবং যে সার্টিফিকেটগুলো আপনি অর্জন করেছেন সেগুলোর নাম।
ছ) এখানে কাজের যোগ্যতা / অভিজ্ঞতার জন্য হ্যাঁ / না ঘরে টিক চিহ্ন দিতে হবে।
জ) চ-নং -এ হ্যাঁ ঘরে টিক চিহ্ন দিলে এই ঘরে কাজের যোগ্যতা / অভিজ্ঞতার বর্ণনা লিখতে হবে। চ-নং -এ না ঘরে টিক চিহ্ন দিলে এই ঘরে শুধুমাত্র প্রযোয্য নহে লিখতে হবে।
ঝ) চ-নং -এ হ্যাঁ ঘরে টিক চিহ্ন দিলে এই ঘরে কাজ / চাকুরী দাতার নাম, ঠিকানা ও কাজ / চাকুরী করার সময় উল্লেখ করতে হবে। চ-নং -এ না ঘরে টিক চিহ্ন দিলে এই ঘরে শুধুমাত্র প্রযোয্য নহে লিখতে হবে।
ঞ) এখানে আপনার স্বাক্ষর ও তারিখ দিতে হবে, যা পরবর্তীর (সর্বশেষ সাক্ষাতকার) জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

৩. পার্ট-১। এখানে আপনাকে প্রায় ২৬ টি ঘর নির্ভুলভাবে পূরণ করতে হবে, যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

৪. পার্ট-২। এই ফরমটিতে প্রায় ২২টি ঘর পূরণ করতে হবে, যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


এবার যারা পরিবার কিংবা ছেলে-মেয়ে সহ আবেদন করেছেন তাদের উদ্দেশে বলছি-
পরিবার কিংবা ছেলে-মেয়ে সহ আবেদন করেছেন তাদের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র পার্ট-১ ও পার্ট-২ ফরম দুইটাতে আবেদনকারী যাদেরকে সঙ্গে নিয়ে যেতে চান বলে আবেদন করেছেন তাদের তথ্যগুলো লিখবেন। আবেদনকারী ঠিক যেমন ভাবে লিখেছেন তার নিজের ফরমে।

পরবর্তীতে আমি চেষ্টা করবো সমস্ত পূরণকৃত আবেদন ফরমের একটা করে প্রতিলিপি উপস্থাপন করতে।

এবার কী কালী বা কলম / পেন্সিলে ফরমগুলো পূরণ করবেন ?
অবশ্যই বলপয়েন্ট কলমের কালো কালীতে সুন্দর হস্তাক্ষরে কোন প্রকার কাটা-ছেঁড়া না করে, আমেরিকান ইংরেজিতে, বড় হাতের অক্ষরে লিখতে হবে।
তবে সবচেয়ে ভালো হবে, যদি আপনি টাইপ করে লিখেন। এক্ষেত্রে ইলেক্ট্রিক টাইপ মেশিন ব্যবহার করতে পারেন। প্রয়োজনে কম্পিউটারে সরাসরি ফরম পূরণ করে প্রিন্ট করে নিতে পারেন। পূর্বে আপনার কাছে ফরমের মূল কপি থাকতো একটা করেই। কিন্তু এখন তা নেই। আপনি যত ইচ্ছা প্রিন্ট করে নিতে পারেন। তাই এক্ষেত্রে প্রথমেই ফরম গুলো ফটোকপি না করে নিলেও চলবে। তবে পূরণ করার পর অবশ্যই মূল কপির প্রতিলিপি সংরক্ষণ করবেন।

ইলেক্ট্রিক টাইপ মেশিনে টাইপ করতে হলে আপনি যেতে পারেন বায়তুল মোকাররমের পূর্ব গেইটে ছাউনির নিচে বসা টাইপ রাইটারদের কাছে। ওদের যথেষ্ট অভিজ্ঞতা আছে। এদের মধ্যে দু'/এক জন বেশ অভিজ্ঞ। সিঙ্গেল- ১৫০/২০০/=, পরিবার সহ- ২০০/২৫০/= টাকার মধ্যে কাজ করিয়ে নিতে পারবেন।

এবার ফরমতো পূরণ হলো। এখন আপনার ফটোগ্রাফ।
যে কোন স্টুডিও থেকে (পরিবার সহ হলে প্রত্যেকের) ডিভি সাইজ- ৪ কপি, পাসপোর্ট সাইজ- ৪ কপি, স্ট্যাম্প সাইজ- ২ কপি করে ছবি নিয়ে রাখুন। এর মধ্য থেকে সিঙ্গেল আবেদনকারীগন তাদের নিজের একটি করে দুইটি ছবি পার্ট-১ ও পার্ট-২ এর ডান পার্শ্বে উপরের কোনায় ছবির দুই পার্শ্বে স্কচ্ টেপ দিয়ে লাগিয়ে দিন। ছবির পেছনে হালকা করে আপনার নাম, জন্ম তাং ও কেস নাম্বার লিখে দিন যেন অপর পাশে ছবির কোন প্রকার ক্ষতি না হয়।
আর ডাবল আবেদনকারীগন স্বামী-স্ত্রী দুইজনের ছবি পাশাপাশি বসিয়ে লাগিয়ে দিন। বাকী ছবিগুলো সযত্নে রেখে দিন যা শীঘ্রই পরবর্তীতে কাজে লাগবে।

Monday, May 2, 2011

সুস্থ-সুন্দর হাসির জন্য চাই...

সুস্থ-সুন্দর হাসির জন্য চাই...। না, কোন টুথপেস্ট বা টুথপাউডারের বিজ্ঞাপন না, বলা হচ্ছে ফলিক এসিডের কথা। হ্যাঁ, ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স এর এই সদস্য আপনার দাঁত ও মাড়ি সুস্থ ও সুন্দর রাখতে দারুণ কার্যকর।ফলিক এসিড মাড়ির প্রদাহ, রক্তপাত, দাঁতের গোড়ায় প্লাক জমা প্রতিহত করে। মানবদেহের মধ্য মুখের কোষগুলোই সবচয়ে দ্রুত বিভাজনে সক্ষম এবং এর জন্য দরকার ফলিক এসিডের। বিশেষজ্ঞদের মতে, ফলিক এসিডকে মাউথ ওয়াশ হিসাবেও ব্যবহার করা যায়। সেটা কিভাবে? ২০০ মি.লি কুসুম গরম পানিতে ফলিক এসিডের একটা ক্যাপসুল খুলে ভেতরের ওষুধগুলো ঢেলে গুলে নিন। ব্যস, হয়ে গেল মাউথওয়াশ।...

সবুজ চায়ের গুণাগুণ

সবুজ চায়ের গুণাগুণ সম্পর্কে বেশ কিছুদিন যাবত গবেষকগণ উৎসাহী হয়ে উঠেছেন। সাম্প্রতিক গবেষণায় তারা এক নতুন তথ্য পেয়েছেন। তা হলো সবুজ চা 'রিউমাটয়েড আর্থাইটিস' প্রতিরোধ করে।যারা নিয়মিত সবুজ চা পান করে থাকে তাদের এই দুর্বিষহ রোগ আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অর্ধেক কমে যায়। আর রিউমাইটয়েড আর্থাইটিস হলো হাড়ের এক ধরনের রোগ, যা হলে অস্থিসন্ধিতে প্রচন্ড ব্যাথা হয় এবং ফুলে ওঠে। তাই বড়ই যন্ত্রণাময় এই রোগ থেকে বাঁচতে আপনিও সবুজ চায়ের কথা ভাবতে পারেন...

Share

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites